আবদুল্লাহ্ আল নাসির
ফাঁকি
দিনে দিনে তুমি হীনে বুকের ভেতর পুড়ছে পাঁজর
উড়ছে ধোঁয়া, দূরে দূরে বহুদূরে আামায় ছেড়ে
যাচ্ছে সরে তোমার ছায়া!
কোন্ আশাতে কোন্ নেশাতে মনের গহীন
বলগাহরিণ ছুটছে একা, কাঁচা ধানে
লাঙল টেনে পাটের ঝোলা ধানের গোলা
করছে ফাঁকা!
আমার আঁখি দিয়ে ফাঁকি জ্বালাও কূপি
চুপিচুপি আঁধার ঘরে, হৃদে কষ্ট
হচ্ছি নষ্ট হবে মরণ
রেখো স্মরণ আলো পড়ে।
শিকারী
খেয়াঘাটে ডুবে আছে শিকারী নৌকা
জলের ভেতর মাছ –
বারুদ মাখা দৃষ্টিতে, তুমি একা।
তুমি সুবাসিত সুখি ফুল, ভ্রমরের-
সপ্তায় সপ্তায়
না ছিঁড়লে স্যান্ডেল,
মন ভালো থাকে না চামারের।
দুর্যোগ
একটি পিঁপড়া কাটছে আকাশ
কাঁদছে ময়না পুড়ছে বাতাস।
ঝরছে ঝরণা অগ্নি শ্রাবণ
খুলছে পাঁপড়ি নষ্ট বসন।
আসছে বৃষ্টি ছিঁড়ছে ত্রিপাল
কাটছে চরকা উড়ছে আঁচল।
একটি অন্ধ বলছে হাভাত
করছে কাঁন্না পুড়ছে দু’হাত।
মন
বহে ঝর্ণা ঝরে জল জমে পলি নদী তল।
গাহে পাখি নাচে মন, কাঁদে কেনো তপোবন?
ফুল ফোটেহয় ফল,পচে যায় হয়ে মল।
কলি হয় মধুময়, ঝরে কেনো বেদনায়?
প্রেম আসেহয়ে সুধা,চলে যায় দিয়ে ধাঁধাঁ।
কহে মন মধুবন, যাস কেনো বৃন্দাবন?
পরকীয়া
আমি হাঁটছি ধূলার মাঝে
গায়ে মেখে নূর,
পিঁপড়ার পায়ের ছাপে ছাপে
হাতির লম্বা শূঁড়।
ঘুর্ণি খেয়ে উড়ছে পাতা
ছুঁয়ে দিতে নীল,
স্বপ্ন পোড়া গন্ধ বাতাস
পুড়ছে ধোঁয়ায় দিল।
মেতেছে সঙ্গমে পোয়াতি চাঁদ
পাপী পাপী মন,
জোনাকির আলোতে নিশুতি রাত
সাজে সবুজ বন।
পথের শেষের হিজল গাছে
জ্বলে পেঁচার চোখ,
ঝিঁ ঝিঁ পোকার নিষ্ঠুর শব্দ
বসায় হৃদে নখ।
রক্ত ঝরে পাঁজর ভেঁঙ্গে
ভিজে দূর্বা ঘাস,
মাটির কায়ায় সফেদ আত্মার
হয়রে সর্বনাশ।




1 thought on “একাকীত্বের মূর্ছনা”
Really its great poet