মহানন্দা নদী
পোল্লাডাঙ্গা মহানন্দা নদীর তীরেছোট্ট একটা গাঁ,সে গাঁ’য়েরই একটা কোনেথাকে আমার মা। সেই গাঁ’য়েরই চতুর্দিকেআছে আম্র কানন,পাতায় পাতায় খেলা করেসূর্যের রশ্মি
একাকীত্বের মূর্ছনা
আবদুল্লাহ্ আল নাসির ফাঁকিদিনে দিনে তুমি হীনে বুকের ভেতর পুড়ছে পাঁজরউড়ছে ধোঁয়া, দূরে দূরে বহুদূরে আামায় ছেড়েযাচ্ছে সরে তোমার ছায়া!
মেঘ মঞ্জুরী
মেঘ তোমাকে কেউ বাসতো না ভালোযদি না থাকতো সূর্য,থাকতো না আহ্লাদী রুপহতো না পথিক মুগ্ধ।দেখতো না কেউ অবাক হয়েধনুক রংধনু,অপেক্ষার
ট্রলারের মাইয়া – সুমন নাসির
বংশাল নদীর বুক চিরে ছুটে চলেছে বিশাল এক ট্রলার। ডিজেল ইঞ্জিনের ঘর্ঘর শব্দের সাথে পাল্লা দিয়ে বাজছে দানবীয় সাউন্ড সিস্টেম।
বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়
– একটি গল্প বিকেলটা তখনো থেমে থেমে ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে ভিজে আছে। আকাশে গাঢ় ধূসর মেঘ, রাস্তার দু’ধারে কচি পাতায় জমে
এক XXX এর কাহানি! – সুমন নাসির
হঠ্যাৎ বাপে ফোনে কহিলো, একটু চৌরাস্তা যা; ওসমানের দোকানের দীপক বিশ হাজার টাকা দিবে, আমার একাউন্টে, ব্যাংকে গিয়ে জমা দে।
ফুলের সংশয় | শুভ্র সরকার
বৃষ্টি থেমে আসে—দু’টি ফুলের ঝরে পড়া দেখেচিত্রময় মন আমার, শস্যময়—সেখানে হেঁটেছি যে কিছুদূর…সেই ছায়া এসে আমাকে বলছে যেনআমিতো শ্রাবণ।সূর্যাতীত বিদায়ে







